Ad Code

'কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ' সরকারিকরণের দাবীতে মানববন্ধন!!

কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণের দাবীতে মানববন্ধন!!
গাজীপুরের কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণের দাবীতে ১৩ জুলাই বুধবার দুপুরে কলেজ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও এলাকাবাসী মানববন্ধন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে স্মারকলিপি দিয়েছেন।
শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সাথে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ মো. ছানাউল্লাহ, সহকারি অধ্যাপক আ. ছালাম, ওয়াজেদুর রহমান, রওশান আরা, প্রভাষক সাইফুল ইসলাম, হুমায়ূন কবির, আলী এরশাদ হোসেন আজাদ, নজরুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, নাহিদ সুলতানা, জাকির হোসেন, সেলিম মিয়া, ইকবাল হায়দার সবুজ, কাপাসিয়া কলেজ ছাত্র সংসদ সাবেক ভিপি মাহবুব উদ্দিন সেলিম, কলেজ শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি আ. কাউয়ূম ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক সৈকত, ছাত্রলীগ নেতা মামুনুর রশিদ প্রমুখ।

মানববন্ধনে ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহি কলেজ হওয়ায় কলেজটি সরকারিকরণের দাবী জানান সর্বস্তরের মানুষ। পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এদিকে কাপাসিয়ার সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি এমপি’র পিতা বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নামে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণ হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বঙ্গতাজ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্মৃতি বিজরিত নিজ ইউনিয়নে অবস্থিত শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজটি সরকারিকরণ হওয়ার খবরে কাপাসিয়ায় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে আনন্দ বিরাজ করতে দেখা যায়।

গাজীপুর জেলার সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহ্যবাহি কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা (স্মারক নং ০৩.৭৪.৩৭.০৪৮.০১.০০৮ ২০১৫ ৩৯২(৩) ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫) থাকলেও সরকারিকরণ না হওয়ায় কলেজ শিক্ষার্থী, শিক্ষকমন্ডলী, গভর্নিংবডি ও এলাকাবাসীর মাঝে হতাশা বিরাজ করছে।

কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ মো. ছানাউল্লাহ বলেন, কাপাসিয়া উপজেলা সদরে অবস্থিত ৫০ বছরের পুরোনো কলেজটি সরকারিকরণ না হওয়ায় কাপাসিয়াবাসী গভীর ভাবে মর্মাহত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সারাদেশে কলেজ সরকারিকরণ হওয়ার খবরে আনন্দ র‌্যালি, মিছিল, মিষ্টি বিতরণের চিত্র দেখা গেলেও কাপাসিয়ার চিত্র ভিন্ন রকম। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আ’লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সিমিন হোসেন রিমি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজের সভাপতি হওয়া সত্বেও উপজেলা আ’লীগসহ সহযোগি সংগঠন এমনকি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ কলেজ কতৃপক্ষ আনন্দের খবরে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চেীধুরী বলেন, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ কলেজ সরকারিকরণের চিঠি প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেছেন।

তথ্য
মন্জুরুল হক, গাজীপুর প্রতিনিধি

Post a Comment

0 Comments